চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন তার আপন খালাতো ভাই আজিজুর রহমান টাইগার। আজিজুর রহমান এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি এই মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ডিসিকে বিষয়টি তদন্ত করে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিনেতা ডিপজলের পাশাপাশি তার ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগের বিবরণ থেকে জানা যায়, আজিজুর রহমান টাইগারের ব্যবসায়িক সাফল্য, সুখ্যাতি এবং দেশ-বিদেশে অর্জিত পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে ডিপজল তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এরই অংশ হিসেবে গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি দারুসসালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।
সেই জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, টাইগারের নির্দেশে দিলশাদ ও সাইদুর রহমানসহ ১০-১৫ জন ব্যক্তি নাভানা সিএনজি পাম্পের সাইনবোর্ড ভেঙে তাদের নামে নতুন সাইনবোর্ড লাগানোর চেষ্টা করেছেন এবং জমির মালিকানা দাবি করে ভাড়া দাবি করেছেন। তবে পুলিশের তদন্তে ওই ঘটনায় টাইগারের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। এরপরই ডিপজল তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দেন।
বাদী আজিজুর রহমান টাইগার দাবি করেন, নাভানা সিএনজি পাম্পের প্রকৃত মালিক তিনি নিজেই। কিন্তু ডিপজল সম্পত্তিটি নিজের দাবি করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছেন। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ফেসবুক পোস্টেই সীমাবদ্ধ না থেকে ডিপজল টেলিভিশন, বিভিন্ন পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিষয়টি প্রচার করেছেন। এতে বাদীর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট হয়েছে এবং কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় ম্যানেজার আব্দুল গণি গত বছরের ৩ আগস্ট আজিজুর রহমান টাইগারের বিরুদ্ধে দারুসসালাম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।সেখানে অভিযোগে বলা হয়েছে, টাইগারের নির্দেশে ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিলশাদ, সাইদুর রহমানসহ ১০/১৫ জন তাদের (ডিপজলের) ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজিতে জোর করে সাইনবোর্ড ভেঙে তাদের নামে ল