জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। আজ বিকেল পাঁচটায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখার সহকারী পরিচালকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে জানানো হয় যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পরবর্তী প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করতেই এই সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
এর আগে আজ শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থানরত স্পিকার নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরেন। গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি ব্যাংককে গিয়েছিলেন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্পিকার জানান, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি কী করবেন বা করবেন না, তা তাঁর জানা নেই, কারণ তিনি দেশের প্রথম ব্যক্তি এবং তিনি দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে অবগত ছিলেন না।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার আরও উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করেন, তবে তা স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হবে। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন, যা একটি প্রচলিত সাংবিধানিক প্রক্রিয়া।
নিজের সফর সংক্ষিপ্ত করার কারণ হিসেবে স্পিকার জানান, মেডিকেল চেকআপ শেষ হওয়ায় এবং ঢাকায় কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকায় তিনি নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দেশে ফিরে এসেছেন। তবে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে গত কয়েক দিন ধরেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে এবং বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে যে আজ বা আগামীকালের মধ্যে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।