July 28, 2026, 3:05 pm

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা

Reporter Name
  • Update Time : Monday, July 27, 2026
  • 2 Time View

বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা ও বিভিন্ন আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩ এবং মন্ত্রণালয়ের প্রণীত সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এই ভাতা ও অনুদান বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যেই সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নতুন এই হার ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীর উত্তম খেতাবধারীরা মাসিক ৩০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন। এছাড়া তাঁদের উৎসব ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে ২ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ২৫ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন এবং তাঁদের জন্য উৎসব ভাতা ১০ হাজার টাকা, বিজয় দিবস ভাতা ৫ হাজার টাকা ও বাংলা নববর্ষ ভাতা ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের জন্য মাসিক মূল সম্মানি ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার টাকা। পাশাপাশি তারা চিকিৎসা ভাতা হিসেবে ২ হাজার টাকা, খাদ্য ভাতা ৫ হাজার টাকা, উৎসব ভাতা ২৩ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ২ হাজার টাকা পাবেন।

অন্যদিকে, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অক্ষমতার মাত্রা অনুযায়ী চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করে মাসিক সম্মানি ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির (৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ অক্ষম) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ৩০ হাজার টাকা, ‘খ’ শ্রেণির (৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ অক্ষম) মুক্তিযোদ্ধারা ২৮ হাজার টাকা, ‘গ’ শ্রেণির (২০ থেকে ৬০ শতাংশ অক্ষম) মুক্তিযোদ্ধারা ২৩ হাজার টাকা এবং ‘ঘ’ শ্রেণির (১ থেকে ১৯ শতাংশ অক্ষম) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ২০ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতা পাবেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ডা. মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তান এবং তাঁদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category