ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। দলের বড় সংগ্রহের পেছনে তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসানের জোড়া ফিফটির অবদান ছিল অনস্বীকার্য।
ওপেনিং জুটিতে তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান দারুণ শুরু করেন। যদিও ইনিংসের শুরুতে একাধিকবার জীবন পেয়েছেন তারা, তবে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুজনেই ফিফটি তুলে নেন। তানজিদ তামিম ৩৩ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে ৫৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। অন্যদিকে সাইফ হাসান ৪২ বলে ফিফটি স্পর্শ করে শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৫৫ রান করেন।
ওপেনারদের বিদায়ের পর তাওহিদ হৃদয়, পারভেজ ইমন ও নুরুল হাসান সোহান দ্রুত আউট হলেও শেষদিকে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও ইয়াসির আলি ঝোড়ো ব্যাটিং প্রদর্শন করেন। ইয়াসির ১২ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন। বিশেষ করে ইনিংসের শেষ ওভারে ব্রাড ইভান্সের বলে টানা ৪টি ছক্কা হাঁকিয়ে সাইফুদ্দিন ১০ বলে অপরাজিত ৩১ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ওভারে চার বলে চার ছক্কা মারার কৃতিত্ব অর্জন করেন। তবে এই ম্যাচে তিনি বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হজম করার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন।
১৮৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারে মেহেদী হাসান মারুমানিকে ফিরিয়ে প্রথম আঘাত হানেন। পরের ওভারে নাহিদ রানা বোল্ড করেন ব্রায়ান বেনেটকে। তৃতীয় ওভারে মাইয়ার্সকেও বোল্ড করেন মেহেদী হাসান। সবমিলিয়ে মাত্র ৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম চাপের মুখে পড়েছে জিম্বাবুয়ে।