August 1, 2026, 10:59 pm

ভূগর্ভস্থ গ্যাসলাইনের ঝুঁকিতে ঢাকা: সিসমিক টাইম-বোমায় পরিণত মেগাসিটি

Reporter Name
  • Update Time : Monday, July 27, 2026
  • 5 Time View

ঢাকা মেগাসিটির ভূগর্ভে বিস্তৃত জরাজীর্ণ গ্যাসলাইনগুলো কেবল জ্বালানি অপচয়ই করছে না, বরং প্রতিদিন পুরো শহরটিকে ঠেলে দিচ্ছে এক প্রলয়ঙ্করী অগ্নিকুণ্ডের দিকে। তিতাস গ্যাসের কল সেন্টার ও জরুরি সেলে প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০টি সুনির্দিষ্ট গ্যাস লিকেজের অভিযোগ জমা পড়ে। তীব্র জনবল সংকট, আধুনিক সনিফিকেশন বা লিক ডিটেকশন প্রযুক্তির অভাব এবং ঢাকার দুঃসহ যানজটের কারণে তিতাসের ইমার্জেন্সি টিম প্রতিদিন বড়জোর ১৫ থেকে ২০টি অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধান করতে পারে। এই বিশাল ব্যবধানের কারণে ঢাকার মাটির নিচে প্রতিনিয়ত বিপজ্জনক মাত্রায় গ্যাস পুঞ্জীভূত হচ্ছে, যা যেকোনো মাঝারি সিসমিক কম্পনে পুরো শহরকে একযোগে বিস্ফোরিত করার সক্ষমতা রাখে।

অনুসন্ধান বলছে, জরাজীর্ণ লাইন মেরামতের আড়ালে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চলগুলোর আবাসিক এলাকায় চলছে এক বিশাল সমন্বিত দুর্নীতি। প্রতিদিন গ্যাস লিকেজ সমাধান এবং জরুরি পাইপলাইন সংস্কারের নামে কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি অবৈধ সংযোগ বা রাইজার নতুন লোকেশনে শিফট বা পুনঃস্থাপন করা হয়। আইনি কড়াকড়ির তোয়াক্কা না করে রাতের আঁধারে এবং অনেক সময় দিনের আলোতেই লিক মেরামতের খোঁড়াখুঁড়ির আড়ালে এই নতুন অবৈধ লাইনগুলো মূল গ্রিডে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারের সিস্টেম লস জ্যামিতিক হারে বাড়ছে, অন্যদিকে মেগাসিটির গ্যাস নেটওয়ার্কের কাঠামোগত দুর্বলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি দিন দিন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

ঢাকা মহানগরীর ভূগর্ভস্থ ১ থেকে ৩ মিটার গভীরতায় তিতাস গ্যাসের প্রায় ১২,১৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত পাইপলাইন রয়েছে। তবে আধুনিক জিপিএস বা জিআইএস ম্যাপিং প্রযুক্তির অনুপস্থিতিতে এই বিশাল নেটওয়ার্কের সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও গভীরতা খোদ তিতাসের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছেও স্পষ্ট নয়। ফলে যেকোনো উন্নয়নমূলক খননকাজে প্রায়ই মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার প্রায় ৬০ শতাংশ গ্যাস পাইপলাইনের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছর পেরিয়ে গেছে। মাটির নিচের অতিরিক্ত আর্দ্রতা, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ এবং অনবরত রাস্তা খননের ফলে এসব লাইন মারাত্মক জং ধরা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত তৈরি হওয়া হাজার হাজার সূক্ষ্ম লিকেজ থেকে বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক এলাকায় প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও প্রাণহানি।

বুয়েট ও রাজউকের যৌথ বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে ২০২৬ সালে এসে ঢাকার গ্যাস খাত এক বড় বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে। জরাজীর্ণ অবকাঠামো, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ভূগর্ভস্থ গ্যাসলাইনের চরম অব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনবহুল এই মেগাসিটি এখন কার্যত সিসমিক টাইম-বোমায় পরিণত হয়েছে। বুয়েটের নির্ভরযোগ্য সমীক্ষা ও সয়েল হ্যাজার্ড ম্যাপের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মাত্র ৭.৫ মাত্রার একটি সম্ভাব্য ভূমিকম্পেই শহরের মাটির গঠন ও দুর্বল ইউটিলিটি লাইনের কারণে ভয়াবহ কারিগরি বিপর্যয় ঘটতে পারে। মাটির নিচে পুঞ্জীভূত গ্যাসের কম্পনে একযোগে বিস্ফোরিত হয়ে পুরো নগরীর অবকাঠামো ধ্বংসের পাশাপাশি এক প্রলয়ঙ্করী অগ্নিকুণ্ড তৈরি করবে, যা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

বুয়েটের প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় ঢাকার ভূগর্ভস্থ মাটির স্থায়িত্ব ও গ্যাসলাইনের সিসমিক ঝুঁকি পরীক্ষায় চরম অশনিসংকেত মিলেছে। অধ্যাপক আনসারীর মতে, ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে লাল জোন চিহ্নিত এলাকাগুলোতে মারাত্মক ভূমিধস বা মাটির বিপর্যয় ঘটতে পারে। বিশেষ করে নদী, খাল ও জলাশয় তীরবর্তী যেসব স্থানে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক ওপরে, সেসব অঞ্চল সবচেয়ে বেশি গ্যাসলাইন ও মাটি ধসের ঝুঁকিতে পড়বে। গবেষকরা বলছেন, টেকটোনিক্যালি সক্রিয় ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও বার্মিজ প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত ঢাকার নরম পলিমাটি ভূমিকম্পের তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। গবেষণায় দেখা যায়, ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানলে প্রথম ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ঢাকার গ্যাস নেটওয়ার্কের প্রায় ১৭.৪ শতাংশ লাইন মাটির নিচে সম্পূর্ণ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে। এ ছাড়া ২৩.৯ শতাংশ এলাকা উচ্চ এবং ৫৮.৭ শতাংশ এলাকা মাঝারি ধরনের ভয়াবহ কাঠামোগত ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হবে, যা পুরো নগরীকে গ্যাস বিস্ফোরণের ঝুঁকিতে ফেলবে।

ঢাকার মাটির ঝুঁকি মানচিত্র তৈরি হলেও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) তা এখনো নগর পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের সাবেক পরিচালক আব্দুল লতিফ হেলালী। এ বিষয়ে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ড্যাপ-২০২২ গেজেটের পর ম্যাপটি তাদের হাতে এসেছে এবং এটি বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। ড্যাপের ২০২৭ সালের সংশোধনীতে এই ঝুঁকি মানচিত্র আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হবে। রাজউকের এই শীর্ষ কর্মকর্তা আরও জানান, স্বাধীনতার পর থেকে ঢাকায় ভবন নির্মাণে স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল না। তবে গত ডিসেম্বর (২০২৫) থেকে নতুন ভবন নির্মাণে এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, গত ৫৫ বছরে ঝুঁকি মানচিত্রভুক্ত এলাকায় ঠিক কতসংখ্যক ভবন নির্মিত হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তালিকা বর্তমানে রাজউকের কাছে নেই।

লাল জোন বা সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে হযরতপুর, সাভার, কেরানীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, তেঘরিয়া, কুণ্ডা, এনায়েতনগর, কাশীপুর, কলাগাছিয়া, নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা, বন্দর, মোগরাপাড়া, নারায়ণগঞ্জ সদর, বক্তাবলী, ডুমনি, বাড্ডা, আশুলিয়া, কাটাবলী, দারুস সালাম, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও পাথালিয়ার কিছু অংশ এবং নিউ মার্কেট, লালবাগ ও মদনপুর। ম্যাজেন্টা জোন বা মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে কোনাবাড়ী, ইয়ারপুর, ক্যান্টনমেন্ট, পল্লবী, গুলশান, রূপগঞ্জ, ভুলতা, খিলগাঁও, আদাবর, তেজগাঁও, রামপুরা, মতিঝিল, ডেমরা, সবুজবাগ, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, কদম রসুল পৌরসভা, মুছাপুর, সাদীপুর, কাঁচপুর, পল্টন এবং হরিরামপুর, বিরুলিয়া, বিভিন্ন পৌর এলাকা, কাফরুল, দক্ষিণখান, ফতুল্লা ও হাজারীবাগের কিছু অংশ।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কেবল রাজস্ব আদায় ও এলএনজি আমদানির হিসাব মেলাতেই ব্যস্ত। ২০২৬ সালে এসেও ঢাকার ভূগর্ভস্থ গ্যাস নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, লিকেজ মেরামতের আড়ালে প্রতিনিয়ত অবৈধ সংযোগ স্থানান্তরের কারণে গ্যাসলাইনের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্প প্রতিরোধ সম্ভব না হলেও সঠিক প্রস্তুতি ও প্রযুক্তিতে ক্ষয়ক্ষতি ৯০ শতাংশ কমানো সম্ভব। ঢাকার জরাজীর্ণ ভূগর্ভস্থ গ্যাসলাইন যেকোনো বড় দুর্যোগে উদ্ধারকাজ পুরোপুরি অচল করে দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক মুনাফার ঊর্ধ্বে উঠে তিতাসের সিসমিক ঝুঁকি হ্রাস এবং ৮,০৬৯ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নকে জাতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

ঢাকা শহরের প্রায় অর্ধশত বছরের অতি জরাজীর্ণ পাইপলাইন দ্রুত পরিবর্তনের জন্য ২০১৯ সালে বড় মেগা প্রকল্প পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়। পর্যাপ্ত তহবিল বা কোনো উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার চূড়ান্ত বাজেট নিশ্চিত না হওয়ায় প্রকল্পটি বছরের পর বছর ফাইলবন্দি হয়ে থাকে। সেই প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে তিতাস গ্যাস টিএন্ডডি কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) দৈনিক এদিন প্রশ্ন করলে, এ বিষয়ে উত্তর দিতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী দুর্যোগ-সহনশীল নগর অবকাঠামো গড়তে তিতাস গ্যাস নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন ও গ্রাউন্ড ইমপ্রুভমেন্টের সুপারিশ করেছেন। ২০১১ সালে জাপানের তোহুকু-ওকি (৩.১১) ভূমিকম্পের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, মূল কম্পনের চেয়েও পরবর্তী সেকেন্ডারি বিপর্যয় যেমন গ্যাসলাইন বিস্ফোরণ ও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড অনেক বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই ঝুঁকি মোকাবিলায় অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী দুটি জরুরি পদক্ষেপের কথা বলেছেন। তিতাস গ্যাস নেটওয়ার্কে ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা ও স্বয়ংক্রিয় শাট-ডাউন সিস্টেম (EEWS) স্থাপন করা প্রয়োজন। এই প্রযুক্তি মূল কম্পন আঘাত হানার ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড আগেই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেবে। এছাড়া অবকাঠামো নির্মাণের পূর্বে ভাইব্রো-কম্প্যাকশন, ডিপ সয়েল মিক্সিং বা স্টোন কলাম পদ্ধতির মাধ্যমে মাটির ঘনত্ব ও লোড বহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। এছাড়া বিশেষজ্ঞরা চার দফা জরুরি সুপারিশ করেছেন: ১. স্বয়ংক্রিয় শাট-অফ ভালভ স্থাপন, ২. এইচডিপিপি পাইপলাইন ব্যবহার, ৩. ডিজিটাল ও থ্রি-ডি ম্যাপিং তৈরি এবং ৪. আইন ও সুরক্ষার কড়াকড়ি।

তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী সত্যজিৎ ঘোষ জানান, বুয়েটের গবেষণার তথ্য আমলে নিয়ে তারা কাজ করছেন। জাপানি প্রযুক্তির অটোমেটিক শাটডাউন সিস্টেম এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মতান্ত্রিক গ্রাউন্ড ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের যৌথ বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, তিতাসের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকরা বড় ঝুঁকি থেকে মুক্ত, কারণ এতে বিশেষ সেন্সর রয়েছে যা কম্পন শনাক্ত করামাত্রই সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। প্রিপেইড মিটার প্রকল্পটি সাময়িক বন্ধ থাকলেও শিগগিরই তা আবার চালু করে সর্বস্তরের গ্রাহককে এই নিরাপত্তা সুবিধার আওতায় আনার জোর প্রস্তুতি চলছে।

২. এইচডিপিপি পাইপলাইন: ৩০-৪০ বছরের পুরনো জং ধরা লোহার পাইপ বদলে অত্যন্ত নমনীয় ও উচ্চ ঘনত্বের প্লাস্টিক (HDPE) পাইপ লাগাতে হবে, যা তীব্র ঝাঁকুনিতেও অক্ষত থাকে।

বুয়েটের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারীর তথ্যমতে, জাপানে ২০০৭ সাল থেকে চালু থাকা ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা (EEW) ব্যবস্থা ২০১১ সালের তোহুকু-ওকি দুর্যোগে অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল। তখন লাখ লাখ মানুষ ১৫-২০ সেকেন্ড আগে সতর্কতা পাওয়ায় সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পান। ব্যাপক জনশিক্ষা এই ব্যবস্থার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল, যার ধারাবাহিকতায় পরে দেশটির মনিটরিং নেটওয়ার্ক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category