আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা চালানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে তিনি এখনও চূড়ান্ত কোনো নির্দেশ দেননি, তবে যুদ্ধবিরতি আলোচনার শর্ত মেনে নিতে তেহরানকে চাপে রাখতেই ওয়াশিংটন এই হামলার কথা ভাবছে। এই দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য এই অভিযানে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী যুক্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে ইরানও ইসরাইলের দিকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও সিবিএস নিউজও সম্ভাব্য এই হামলার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে ট্রাম্প নিজে এই হামলার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, তারা আমাদের ওপর কঠোরভাবে আঘাত হানবে এবং একসময় তারা আর সহ্য করতে পারবে না। তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র যত বেশি হামলা চালাবে, ইরান তত দুর্বল হবে এবং শেষ পর্যন্ত তাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হবে এবং তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের আচরণ অত্যন্ত আগ্রাসী এবং তেহরান যেভাবে সংঘাত বাড়াতে প্রস্তুত হচ্ছে তা দেখে তারা বিস্মিত।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা তাসনিম দেশটির এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের হামলা হবে উন্মাদনার শামিল। ওই কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা ব্যাপক পাল্টা প্রতিক্রিয়ার পরিকল্পনা প্রস্তুত রেখেছি। এই পরিকল্পনার আওতায় জায়নিস্ট শাসনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার প্রস্তুতি রয়েছে এবং তারা এটি বাস্তবায়নে পুরোপুরি প্রস্তুত।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ফের হামলা চালানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে তিনি এখনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি। শুক্রবার (৩১ জুলাই) মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের জ্বালানি