বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সেনা সদরদপ্তরে এই আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নৌবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং সেনা সদরদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা, পেশাদারত্ব ও আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তারা মতবিনিময় করেন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী দীর্ঘ সময় ধরে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে আসছে।
অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান ২০২৩ সালের ২৪ জুলাই নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করা এই কর্মকর্তা তার সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে বিভিন্ন স্টাফ, ইন্সট্রাকশনাল এবং কমান্ড দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। নৌসদরে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স), সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (পার্সোনেল), পরিচালক নৌ অপারেশন্স ও নৌ গোয়েন্দা এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অসামরিক-সামরিক সংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ওমর ফারুকসহ চারটি যুদ্ধজাহাজের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্ট এবং নেভাল এভিয়েশন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্পেশাল ফোর্স (সোয়াডস) কমান্ড করার পাশাপাশি অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে কমান্ডার বিএন ফ্লিট এবং কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি ভাষানচরে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সুচারুরূপে চলমান রাখেন।