ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে কোনো প্রতিভা প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকবে না। প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার সমান অংশীদার হবে। শনিবার রাজধানীর গ্রিন রোডে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে অনুষ্ঠিত ‘যুব প্রতিবন্ধীদের জন্য জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিবন্ধিতা কোনো সীমাবদ্ধতা নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সঠিক সুযোগ, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীরাও দেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও উন্নয়নের সমান অংশীদার হতে পারে। তাই সরকার তাদের ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে সমাজের কোনো শ্রেণির মানুষ পিছিয়ে থাকবে না। সবার জন্য প্রযুক্তির সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এই জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা প্রতিবন্ধী তরুণদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল আইটি চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ সুলতানা মল্লিক সভাপতির বক্তব্যে বলেন, এই প্রতিযোগিতা প্রতিবন্ধী তরুণদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিকাশের একটি বড় সুযোগ। উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে সক্ষম। ভবিষ্যতে বিসিসি, সিএসআইডি এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতাকে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, যুব প্রতিবন্ধীদের জন্য আয়োজিত এটি দশম জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা। এবার চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৭০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ২১ জন, শারীরিক প্রতিবন্ধী ২৫ জন, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ১৫ জন এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি) বিভাগের ৯ জন রয়েছেন। প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে প্রথম তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া চারজন হলেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিভাগে মো. শাকিল মিয়া, শারীরিক প্রতিবন্ধী বিভাগে শেখ ইয়ামিন আহসান, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিভাগে নাহিন সিরাজ এবং এনডিডি বিভাগে আরিয়ান ইসলাম। তারা আগামী অক্টোবরে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল আইটি কম্পিটিশন ফর ইয়ুথ উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস (জিআইটিসি)-এ অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। মন্ত্রী সুযোগ পাওয়া এই চার প্রতিযোগীকে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে সিএসআইডির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপার্সন কে এম মুজিবুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এটি যুব প্রতিবন্ধীদের জন্য জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতার দশম আয়োজন। এবার প্রতিযোগিতার ৪টি ক্যাটাগরিতে (১) দৃষ্টি প্রতিবন্ধী-২১ জন (২) শারীরিক প্রতিবন্ধী-২৫ জন (৩) ডাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ১৫ জন এবং (৪) নিউরো ডেভোলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি)-০৯ জন সহ মোট ৭০ জন প্রতিযোগী অংশ গ্রহণ করেন। প্রত্যেক ক্যাটাগরি থেকে বিজয়ী
প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত ৪টি ক্যাটাগরি যথাক্রমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিভাগে মো. শাকিল মিয়া, শারীরিক প্রতিবন্ধী বিভাগে শেখ ইয়ামিন আহসান, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিভাগে নাহিন সিরাজ এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিভাগে আরিয়ান ইসলাম জাতীয় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে আগামী অক্টোবরে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য Global IT Com